সঙ্িভ্র মালিক পশ্রিক] 3

৯৫্ণ র্্_৯হ্ম খত

( ফাল্গুন ১৩২৯-_শ্রাবণ ১৩৩০ )

সম্পাদক-_ মহারাজ খজগদিন্্রনাথ রায়

ন্লীপভাতকুমার £খোপাধায় বি-এ, বার-এট-ল

কলিকাতা ১৪-এ র।মতচ্মু বহর লেন, “মা'নপী* প্রেসে জ্রীমীতলচন্্র ভট্টাচার্য্য কর্তৃক মুড্রিত প্রকাশিত

৬৩৩০

বাণ্মাসিক সূচীপত্র

(ফান্তন ১৩২৯--শ্রাবণ ১৩৩০) বিষয়-সুচী

আকাল বর্ষ। (কবিত1)-

প্রণটীজ্ববাপ দা চৌপুলী ২৬৯ বআগ্শান্ধ (গল্প )-- শ্রীবৈনাথ বন্োপাশায় ৩৯৭ অস্ধের কাচিনী( কবিত!)-- জীতীপতি পর্ন ঘে'ষ বি-এ ৩৪৯ অপুণ ( উপন্তাস )-- . প্রীঘা্ক তট্টাচার্ধয বি-এ ১৮, ১২৬ ২১৭, ৩৮ ৪৯৩, &:১ অত'গী ( কবিত1 ).- শ্ীসতীন্ত্রমোহন চটে ।পাধায় ১৩৪ অভিশগ গ্রাম (কবিচ1)-- কালিদাস রায় বি-এ 54৪৭৫ অমরকণ্টক নেমা ওয়ার ( সচিন্ব ১.২. র্‌ প্রীগৌরহ্রি নম ১৪৪ অধাচিত উপদেশ ( কবিত।)-_ উীকালিদাপ রায় বি.এ * ৩৩৭ জনা অশোক ত্ৃস্ত-- ভ্ীঅদুজনাথ বন্দোপাধ্যায় বি-এ ৯৩ অক্রনদী ( কবিতা )-_ উীবিজরলাল চট্টোপাধায় বি-এ ১৪ “আবার তোর! মানুষ হ*-.. গ্পতীশচজ্জ ঘটক এম. &, বি-এল ৩১ আখাদিতা ( কবি )--. শ্ীপ্রফু্রকুমার মণল বি.এ ৫৫২ আনয়-পরিণযা"( কবিত| )-- জীকালিযাস রাঁর বি-এ ২৮০ ইজিপ্টে নব জাবিস্কায়_

উপঞ্চপ (সচিত্র )-ভ্রীপুলিনগ্বহাণী নত একজন অতি বড় ধীর কথ! (সচিন )-_ জঃরিছর শেঠ একটি দিন (ভ্রমণ )-_ ভীমতী স'যৃবালা মির ঘতিহাপিক যুগের ততস্ক র- শ্রীদ্মৃতল্'ল শীল এম-এ কামিনী কাঞ্চন ( কবি1)-_ শক রচ ধর কালাজর-_ ভীমরুণকুমার মখোপাধায় এষ-বি কালিদ।স বাঙ্গালী কি না রা বাহাছুর ভ্ীবত'আ্মোহন সিংহ বি-এ

. কাশ্মীর জমণ-( সর্টিত )--

বীপূর্ণচজরায় এম.এ বি-থল কোকিল ( কবিত1)-__

গবিশ্বেশ্বর তট্াচারধ্য বি-এ খড়মের বৌল! ( নক! )-.

ভীমনোমোহন চাউাপাধা!র গোশীভাব (গল্প).

জীমতী রসীবাল। বনু গ্রন্থ মযালোচনা ছণ্টা (গল্প)-_-্ীজোতিরিজনাথ ঠাকু চোয় ( গল্প )--

শ্রীমতী কিরণবাল! দেবী ছলনামদী (কবিত1)-

অধ্যাপক জীপরিলকুমার ঘোষ এম-এ জগৎ রূপ-_

৩৩৪

১৩৫

৩৯৫ ৫১৫ ২৭৩ রর

ড$

৮৮

ই৩॥ ৯৫) ২৮৭, ৫৬৭

৪৩1

৩৯৪ *

৩ম

জববগপুর £ সচিত্র )-- অধ্যাপক ভ্রীকালীপদ মিআ এমএ বি'এল

২৪৮ জৈননের গ্রাগৈতি্াসিক গুরু বা তীর্ঘককর শ্রীত্মৃতলাগ শীল এম-ঞ ২৮৯ জ্যোতি ( গল্প )-- শ্রীমতী অধিয়! দেবী ঝাল (কবিভ1)-- ৃঁ শ্ী/ভীশচন্জ ঘটক এম-এ ব-এল ৪'৮ তারকেম্বর (ভ্রমণ )-. জততী গিরিবাল! দেবী ৪৪৯ ভাঙার ধে'ন (কবিতা )-- ভীপ্ীপতিপ্রন্ন ঘোষ বি-এ ১৩5 তিষ্যএক্ষিতর কথ! (সঠত্র) , স্ষধ্যাপক আযোগীক্নাথ লম'দ্দার বিএ ৩২৬ নালন্দা সম্বন্ধে যকধিং-_ শ্রীকশীক্নাথ বস্তু এম-এ ৪৭৮ মাহীর সন্মান-_ ভ্রীদত। সঃযুহাল! মি্জ ৪৩৩ দারীর শ্বাধীনতা। পাঁবআতা-ক শ্রীমতী অনুরূণ1 দেবী ৪০১ নিজ্ঞাতূয়। (গল্প) | শ্রীপণীন্দ্রথাল রায় এম-এ ৬৪ ৬নিরচন মুখোপাধ্যায় ( চিত্র) রমন্মথনাধ ঘোষ এষ-এ ৪৫৩) ৫২৬ পথহার! (গল )-- শ্রীমতী হুরধ্যমুখী দেবী ৩৭৫ পন্থা-_্রীথেস্বর ভট্টাচার্য বি-এ ৯৪ গিচিত (গন) শ্রীমতী কিরণবাল! দেশী ৩৩ পল্লীর বসস্তোৎনব-্রীম হী গিরিবাল! দনেখী ২৩৩ গাঁট বা ভুট-_ হীমন্মথনাথ নিংহ ৩৯১ পাঠানের প্রতিধিংসা-- ,. ই্ধনওয়ারীলাঁল বন্থ এমএ ৩৮৯ পাহা পু সধ/1পক ভীংমেশডজ্জ মুমদা এম-এ, পি-এইচভি, প্রেষটাদ রাজন স্কলার. ৩৮৫

পিতৃতীন (গল্প )--ভীতাঙ্ককুমুদ কষ মিত্র ৪৭৬ প্রতাপ পিংহ"-এর গান (স্বরলিপি) ভ্ীমাশী মে!ফিনী সেন গুপ্ত। ৮৩, ১৫৩ প্রতিবাদের উত্তর-_- রাও বাহাহর শ্রীষশীন্দ্রমোধন দিংহ বি- ১৪৩ প্রাথমিক শিক্ষা _ অধ্াপক শ্হ্মচন্ত্র দাশগুপ্ত এম.এ প্রাচীন সাঙ্কাগ্ত নগর-_ শ্রীঙঘঘুজনাথ বন্দ্োপাধ্যা্ন বি-এ ৪৪৭ ফত্তন (কবিতা )-শ্ঞান্দি।দ রায় বি"এ ৬৩ বসন্ত দেষে (ঞাবত )-- একান্দান রা বি-এ ১০৪ বাদ্দাদ। দাট্যপা(ংত্য সমালোচনা! শী মততুপন্ষ্ণ ংচীধুন্ী এম 1বধায় স্মবত__ জীমতী রাঁধারাণী ৭৪ ৩৫৫ বিষ্ঠাপৃতির কাব্য গ্রীমাড্ন্্রলান অগচার্য্য বি-এ ৫১৮ বিদ্যার জাঁধার্জ (কবিতা )-- জবা লদাদ রায় বি-এ ৫৬৭ বিবাছেঞ বিঞ্ঞাপন (গল্প )-- রী প্রফুল্ল মার মণল বিএ ১৬২ বিবাহের “ধীহু (গর )-- শ্রীমতী বিভাবতী খোষ ১১৭ বিঙাপ ( কবিতা )-% শ্রবজঙলাপ চট্রোপাধ্যাক্জ বিএ ২৮৬ বেঙ্গণ জ্য।ম্বুক্ন্ন কোরের কথ! (সচিত্র )-- হাবিদ্ধান আ্রগফুল্লকুমার সেন বি-এ €ৎ ১৩৮, ৩৩৩ বৈদে।একী-- গ্রগৌরছরি সেন ৪১৩ বার্থ (কবিতা )-- দ্ধধাাপক ভপরধ্লকুমার ঘোষ এমএ ৫৩৯ ভোটান কাঞ্া (গ'ন)- * রয় ঝাঁহাদুর প্ীণীননাথ সান্যাল বি-এ,) এমবি ১৯.

মনোরূপ-- জীনগেজনাথ হালদার এম বি-এল ১৯৩ মহত্বের পুরস্কার ( কবিত! )-- প্বিজয়লাল চট্টোপাধায় বিএ ২৮৮ দুক্তিনাথ (ভ্রদণ )- শ্ীশরচন্ত্র আচার্য ১১) ১১০) ২০৫, ২৯৮, ৪২৮) ৫৪৪ মুক্তি-পাঁগল (কবিত1)-- গ্রীতীন্্রমোহন চট্টোপাধ্যায় ৪২ মু বধির বন্ধু ৮যামিনীনাথ বন্দয্যোপাধ্য।র (দচত্র)-- প্ীপ্রীশচন্ত্র গোস্বামী বি.এ ২৫৮ মৌর্ঘয নাআজোর অধঃপন-_ অধ্যাপক শ্রীনীলম্ি আঁচর্ধয এম-, বি-এল ১৭৮

ম্যাকৃপিম গকি- ভ্রীগ্রস়কুমার সম।দ।র বি-এ ২৯১, ৫৬৪ রবীন্দ্রনাথের কাব্যে প্রক্কৃতির প্রভাব-- অধ্যাপক শ্রমহীতোষকুমার রায় চৌধুরী এমএ ২৫, ১৯৮ ৮রাগ1 প্যারীমোহন সৃখোপাধ্যায়__ প্রীমন্মগনাধ ঘোষ এম.এ ৭২ রাণী রানমণির স্বপন (কবিত1)--

শ্রীকুমুদ রঞ্জন মল্লিক বি-এ ২৪৭ রামকৃষ্ণ সংঘ ( সচিত্ত)- প্রীনরেন্তরনাথ লাঁহ এ. এ, পি-এইচ-ভি, প্রেম্টাদ রায়টাদ স্কলার ১৫৩ শক্তির উদ্বোধন-_ অগ্াযাপক জীপ্রস্নকূমার আচার্য্য এম-এ, পিএই-ডি (লগ্ন) ডি-কাট (লণ্ডন) ৩১৬ শাশে বর (গল্প )_- শ্রীবগত্বকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বি-এ ৫৬৪

1/৩

শিকার শ্রিকারী (সনিত্ধ )-- ভীব্রংদজনারারণ আগার্ধয চৌধুরী ৩৫৪) ৪৬৩; ৫৩১ মৃতীত্ব'-ঘাদল মেকী-_ শ্রীহে'গেশচভ্্র ভট্টাচার্য সতীত্বের কথা--অধ্যাপক ছিনয়েশচজ্ দেন এম-এ, ডি-এল ৩৭ সভ্যবাঁপ1 (উপন্যাগ )--- রম উীগ্রভাতকুমার মুখোপাধ্যার বি-এ, বাঁর-এট-ল

১৫৯

৭৫) ১৮৮, ২৮১, ৩৭৯, ৪৬৮ সন্ধা! (গলপ )-__ ভ্রীষতী অনয! দেবী ৫১৪ সাঁচি ( সচিত) - চি. অধ্যাপক ভ্ীকালীপদ মিজ্ব এম-এ, বি-ধলী ৪১৫ সাহিত্য সম'চার-_ 8৮৪ লাহিত্যদন্মিলন বন্ধিমচঞ্জরঁ. ঞ্রপঙ্গধর মিশ্র ৫১৬ সাহিত্য সাধনার জাদর্শ-- শ্রীশিবয়তন মিত্র বিএ ২২৪, ৩৩৮ শিচ্ধম্‌ স্বন্তিক ( সচিন্ধ )-_ প্রীযাখালয়াজ রাজ এম-এ ১৪৭ স্বীণিক্ষ!- অধ্যাপক ছেমচজ দাশপ্তত এম-এ ২১৪ ্বস্থা রক্ষায় জপত্তি-- *্রীনলী* ১৩৪ হীরানাল (গল্প )- উপ্রভাতকুষার মুখেপাধ্যার বি-এ, বার-এট-ল ৫৫৩ হেমচন্দ্র ( সচিত্র )- *শ্রীমঘধনাথ ঘোষ এম 'এ ২৬২, ৩৫৩

1৮৯

লেখক-সূচী

ীদক্রুবচত্জ ধর-_ জীগৌরহরি সেন__ কামিনী কাঞ্চন ( কবিত।) ৫১৫ অময়কণ্টক নেমাওয়ার (সচির) প্ীদতুলরষ্ণ চৌধুরী এম-এ-_ বৈদেশিকী বাঙ্গাল! নাট্যসাহিহ্য সমা:লাচন! ভ্ীজে)[তিরিক্্নাথ ঠাকুর-_ শ্রীমতী 'সনুরূপ' দেবী- নানীর স্বাধীনতা '$ পবিজ্রতা ৪৮১ শা (গলপ) শ্রীমতী অশ্িঃ। দেবী-- জ্ীদিখিঙয় রার চৌধুরী__ জ্যোতি (গল্প) ইজিপ.টে নব আবিষ্কার , লন্ধ্যা ৫১* রাঁর বাহাছুর ভ্রীদীননাথ সান্তাল বি-এ, এব-বি-_ প্ীজমৃতলাল শীল এম-এ-_ ভোটান রাজ্য (গান) দৈনঘের প্রাগৈতিহাসিক গুরু বাতীর্ঘকর ২৮৯ ্রীনগেক্জনাথ হাপমার এষ-এ, বি-এল-__ প্রতিহাসিক যুগের তীর্ক্কর ৩৯৫ জগৎ-রূপ নদ্ুঙ্গনাথ বন্দেযোপাধ্যা বি-এ-- মনোক্ধপ অররাজ অশোক শুস্ত ৯৩ ঞ্জ্রীনন্গী*__ প্রাচীন সাক্কস্ট নগর চি স্বাস্থারক্ষায় আপত্তি জীঅরুণকুমার মুখোপাধ্যায় এম-ব ঞীনরেন্দ্রনাঁথ লাহ! এম-এ, পি-এইচ-ডি, কালাজর 8০৮ প্রেম্টাদ রারটাদ স্কলার-_ ভীকাতিদাস রাগ বি.এ রামকৃষ্ণ সংঘ ( সচিআ্) কান্তন (কবিতা) ৬2 গ্রীনয়েশচন্দ্র সেনগুপ্ত এম-এ, ভি-এল-_ বদস্ত শেষে , রখ সতীত্বের কথা আস পরিপয়। ২৮* অধ্যাপক শ্রীনীলমশি আচার্য এম-এ, বি-এল-- অযাচিত উপদশ মৌর্য্য সাপ্াজ্যের অধঃপতন জড় রর +1€. প্রীপক্ষধর মিশ্র * বিস্তারজাহাদ সাহিওা-সন্মিলন বহি মক্তব অধ্যাপক ভীকাশীপদ মি এম-এ, বি'এল_ অধ্যাপক ্রীপরিমলকুমার ঘোধ এম-এ-_ জবরপপুর ( লচিজ ) ছলনামরী (কবিতা) সাচি এঁ ৪১৫ বর্থ ঞ্ ঙ্গ রী টি রে ) 1... ৩৩. শ্রীপ্ুলিনবিহারী দত্ত রঃ উপগপ্ত (সচিত্র) প্ীকুমুদরঞ্জন মল্লিক বি-এ_ ০০১০১ হি .. ঝাণী রালমণির শবপ্ন ( কাবা) ২৪৭ াঙ্ীর গণ (চিজ) জমতী পিরিবাণা দেবী_ জীপ্রসুল্লকুদার মণ্ডল বি-এ-- পাড়ার মা নক বিবাহের বিজ্ঞাপন (গল্প)

স্টিরকেন্বর ( অমণ ) ৪৪৪ জানা পিত! ( কৰিতা)

1৯

হাবিলদার জী প্রচুযাচজ সেন বি-৫- বেল আ্যাছুলে্ল কোরের কথা (সচিজ) ৫*,

৯১৩৮৪ ৩৩৪ ধপ্রভাতকুমার সুখ শাধ্যায়, বি-এ, বার- এট ল-_ সত্ধ্যবাল! ( উপন্তান) ৭৫) ১৮৮) ২৮১১ ৩৭৯) ৪৬৮ হীরালাল (গল্প) ৫৫৩ অধ্যাপক ভীঞসন্নকুমার আচার্য এম-&, পি-এইচ-ডি (লন) | ডিগিট ( লগুন )-. শক্তির উদ্বোধন ৩১৬ জীপ্রলননকুমার সমাদ্দার বি-এ-- ম্যাকিম গর্ক ২৯১, ৫৬০ শ্রীফণীক্রনাথ বনু এম-এ-_ রর নালন্দা সন্বন্ধে বংকিঞ্চিং ৪৭৮ জ্রীবনওয়াবীলাল বনু হম. এস পাঠানের প্রতিহিংস। ৩৮৯

জ্ীবসন্কুমার বন্দ্যোপাঁধা।র বি-এ--.

শাপে বর (গর) ৫৬৪ জীবিজয়লাল চট্টোপাধ্যায় বি.এ__

জ্র“দী (কবিতা) ১৪

বিলাপ

মন্ত্র পুরস্কার ২৮৮ প্রীষতী বিভতাবতী ঘে'ষ--

বিব'ছের যৌডুক (গল) ১১৭ জবিস্বেশবর ভট্টাচার্য্য বি-এ-_ রা

কোকিল (কবিতা) ৮৮

গন! ৯৭ গ্রীবৈতনাথ বন্দ পাধ।র__

অন্নিশুদ্ধি (গল্প) জীবরজেজ্নারায়ণ আচাধ্য চৌধুরী-_

শিকার শ্রিকাঁরী (সচিত্র) ৩৫*, ৪৬৩, ৫৩৬ প্র. নোমোহন চট্রে পাধা।য়__

৩৯৭

খড়মের বৌল! (নক!) চি প্ীমন্মখনাথ ধোষ এম.এ ঝাজ। প্যারীমোহন মুখোপাধ্যায় চা

ছেমচজ ( মচিজ্ঞ) ২৬২, ৩৫৬

৬নরঞজন মুখোপাধ্যায় (সচিত্র) 8৫৩, ৫২৬ উমন্ধনাথ দিংহ__পাট বা ধু ৩৯১ অধ্যাপক জমহীতোয হূমার রায়চৌধুরী এষ .এ__

রবীন্ত্রনাথের কাব্যে প্রন্কৃতিয় প্রঙাব ২৫, ১৬৮ শ্ীঘনিফ ভট্ট চারধ্য বি-এ-_

অপূর্ণ ( উপন্যাস) ১৮, ১২৬) ২১৭,

রঃ ৩%-১ ৪৪৩) ৪৯১ জীমতী মেহিনী সেনগ্থপ্ত'_

"প্রতাপ নিংহ”-এর গাঁন ( হ্বরলিপি ) "৮৩ ১৫৩

রায় বাহার গ্ীবতীন্ত্রমোহন সিংহ বি-এ-_ এরতিবাদের উত্তর * 8৩ কর্দদ বাঙ্গালীকিন! ৫5৩ অধ্যাপক ভীবাগীন্রনাধ লমাঙ্গার বিএ *

তিষ্যরক্ষিতার কথ! ( সচিত্র) , ৩২৬ শ্ীযোগেশচন্্ ভট্টাচার্য _

সতীত্ব--আদল ষেকি ১৫৯ অধ্যাপক ভ্রীর্াশচন্্ মজুমদার পি-এইচ-ভি,

রাম্ঠ গ্রেম্ঠদ স্কলার.

পাহাড়পুর নু ৩৮৫ শ্রীয়াখালরাজ রায় এম-এ-_

সিদ্ধম্‌ স্থন্তক ( সচিঞ্জ) ১৪৭ গরান্বকুমুদ কু্খ মি _ টু

পিতৃতীন (গল্প) ৪৭৬ প্রীরাড্জ নাল আার্যয বি- খ-

বি্ভাপতিয় কাবা ৫১৮ শ্রীমতী রাধারাণী দত্ব-__ রঃ

ব্দি॥ স্ত্বতি (কবিত1) ৩৫৫ প্রীশচীন্ত্রনাথ রায় চৌধুরী-_

অকাঁপ বর্ষ! (কবিতা) ২৬৯

ভীপটীজ্্রল;প রায় 'এম-এ- নিদ্রা হুর! (গল্প) ৬৪ শ্ীণরচ্চঞ্জ জাচার্ধ.-_ মুক্তনাথ ( সচিত্র ) ১১) ১১০, ২৯৫, ২৯৮) ৪২৮১ ৫৪৯ ভশিবরগ্তন মিআ্জ বি-এ-_

* সাহিত্য নাধনার আদর্শ

২২৪, ৩৩৮)

, ভীঞগাপ্রগা ধোষ বি.এ"

তারায় বেন ( কবি1) ১১] অন্ধের কাহিনী ৩৪৯ জীজীখচঞ গোহ্ব।শী বি-এ-- মুকবধির বন্ধু ৬বামিলীনাথ বনোপাধায় (নচিত্) ২৫৮ ভীদভীজমোহন চটে পাধ্যার-. অতাগী( কাঁবত1) ১৩৪ মুক্তিপগিল ৪০২ /ীলতীশওজ ঘটক এম এ, বি-এলস- « প্আবার তোর! যানুষ হ* ৩১ ঝাল (কবিতা) ৪৩৬ মম্পাদকীর গ্রন্থ'দমালোচন! ৯৪, ২৮৭, ৫৬৭

লা লমাচায জৎরী ব।ুকীগা ধির_ এ. একট দিন (ভ্রমণ) নারীর নঙ্গান জীদতী সর়মীবাল। বহৃ_ গোণীভাব (গল্প) জীদতী হুর্ধযমুখী দেবী__ পথহার1 (গল্প) জীহরিংয় শেঠ -_ একজন গঅতিবড় ধনীর ধথা (মচিজজ) অধাপক ভীহেমচজ্জ দাশ এম-এ_- প্রাথমিক শিক্ষ! স্বীশিক্ষা

ত্রিবর্ণ চিত্র

ইন্দী যুবতী

১৯২ পৃষ্ঠার সন্মুথে

" জয়পুর রম্ণী বাত! পিষে তেছে-_ ভী'বতৃতি ভূষণ রার-_ মুখপত্র

রায় বাহাছুর শীজলধর সেন--.

প্ীধশীন্্কুমার দেন ৯৬ গৃ্ার সমুখে বেণুখক-_

গযোগেস্্রনাধ চক্তবর্তঁ ২৮৮ সোফায়! মিঃ বর্শেল ৩৮৮ * * কালদর (মুদলমান পত্রাজফ) -.: [ও

৬হরিচয়ণ মনুমধধায 8৮৭ *

খন্স্য সঙ্গী,

রী চা

তহ্ষণ রায়

বির

--জ্।

চিত্রকর

্‌ টি

ফাল্গুন,

১০০৭ বর্ষ খণ্ড

|

খণ্ড ১৩২০১

|

১ম সহখ্যা

জগৎ-বপ

যাহাকে আমরা বুদ্ধি, মন চিত্ত অহ এভৃতি নাম দিয়া খুকি, অৃহাই আমদের, দেশের দর্শনবাদের মতে জাত! বা ব্হ্ী বলিয়া সাব্যস্ত হু নাই। এবং যা জ্ঞাত! বিষয্ী বলিয়া! সাবান্ত হইয়াছিল, তাহা এই মন, বুদ্ধি প্রভৃতির অতিরিক্ত এক “চিৎ” বা আত্মপুরুষ সেই চিদাত্মক আত্মপুরুষের সাক্ষাৎ সম্বন্ধে ভরের এই বাহু বিশ্বরূপ নহে, তাহার সাক্ষাৎ জের হইতেছে বুদ্ধি এবং বুদ্ধির “ভাব সকল। অতএব” জাতৃ-পুরুষের পক্ষে এই বাহ জগৎ-রূপ হইতেছে পরোক্ষরূপ মাব্র,_-তাহা *বুদ্ধি-সচিবের* মন্ত্রণা বর্ণনা! মাত্র সকল বিষয় আমরা পূর্বেই আলোচন! করিয়াছি।

জঞাতা'ও জয় সম্বন্ধে ইহাই যদি সত্য তথ্য হয়, তবে সহজেই: প্রশ্ন উপস্থিত হয়, এই যে বিশ্বব্যাপী রূপ রসের বৃহৎ.ঞ9 বিচিত্র মেধা, যাহাকে প্রতিক্ষণ প্রত্যক্ষ সত্য বলিয়া! মানিয়া লইয়া আমর! এই জগৎ" ব্যবহারে প্রবৃত্ত হইতেছি,_তাহা৷ বাস্তবিক পক্ষে সৎ ন৷ অসৎ? অর্থাৎ এই যে বিশ্বরূপ, ইহা গুধু আমাদের

মনেরই রূপ করন! মাত্র, না! সেই মাঁনস-রূপ কল্পনার অতিরিজ তাহাদের , কোনও সত্য অস্তিস্বও আছে!

সাধারণ প্রাকৃত জনের পক্ষে, ইহ! যতই অশ্চিত প্রশ্ন অবৈধ কৌতুহল বলিয়। বিবচিত হউক, কিন্তু কোনও দেশের, কিং! কোনও কালের দর্শনিক তত্বানু- সন্ধ'নেই সন্দেহ উপেক্ষিত হয় নাই। কারণ, সকল দেশের দর্শন বিস্তাই স্পষ্ট বা অস্পষ্ট ভাবে উপলব্ধি করিয়াছে যে, জগতের সঙ্গে আমাদের যে পরিচয়, তাহা আমাদের মনের মধ্য দিয়া, মনেরই নিজের ভাষায় এক পরোক্ষ পরিচয় মাত্র। স্বর্পতঃ তাহা বুদ্ধিদূত প্রমুখাৎ এক পরিজ্ঞাত সমাচার মাত্র। এবং ইহাও সকলেরই জানা আছে যে, সেই বুদ্ধিদূত কোনই অন্রান্ত দূত নহে। সে, কখন কখনও শুক্তিকে মুক্তা বলিয়।, মরীচিকাকে জল বলিয়া এবং দুরস্থ বৃহৎ বিষয়কে ক্ষুদ্র বলিয়া, মিথ্যা সংবাদ দ্বারা আমাদিগকে প্রতারিত করিয়া থাকে উক্তঞ্চ-_

মানসী মর্ম্মবাণী

প্রাদেশমাত্রঃ পরিদৃশ্ততেহকঃ শান্ত্রেণ সন্দর্শিতো লক্ষযোজনঃ মানাস্তরেণ কচিদেতি বাধাং প্রত্যক্ষমপাত্র হি ব্যবস্থা *

অর্থাৎ, হুর্্যকে প্রাদেশ-মাত্র (এক বিধৎ ) পরিমিত বলিয়া দেখায়। কিত্ত শাস্ত্রের দ্বারা জান! যায় স্ুর্ধ্য ধক্ষ যোজন পরিমিত। অতএব দেখিতে পাওয়! যায় ষে প্রত্যক্ষ £প্রমাণও প্রমাণাস্তরের দ্বারা বাধিত হয়। তাহাতে প্রত্যক্ষ প্রমাণের দ্বারাও সত্য নির্ধারণের ব্যবস্থা বিছিত নহে।

এই সকল কারণেই কদাচিৎ, দর্শন-জগতে সন্দেহ উপস্থিত হইয়াছিল, প্রত্যক্ষাদি প্রমাণে সিদ্ধ এই বাহা জগৎ-রূপ, সং না অসং? এবং সেই সদসতের তথ্য নির্ধারণ কর! হইয়াছিল সমস্ত দেশ কালের দর্শন বিদ্যার এক চিরস্তন সমন্তা। এই ভারতবর্ষীয় দর্শন বিস্তাও সমন্তাকে পরিহার করিয়া চলিতে পারে নাই। এবং শুধুই পরিহার নহে,_আমরা দেখিতে পাই এই সমন্তারই উততঙ্গ অর্িচগপ পাধাণে প্রতিহত হইয়া, আমদের দেশের দর্শন বিদ্যার ভাব-মন্দীকিনী ত্রিপথগামিনী হঃয়াছিল। তাহাতে, যোগ সাংখ্য বিদ্ার আছ্ঘধারা পূর্বগামিনী হইয়া প্জগৎ-সত্যং* এই সিদ্ধান্তের সাগর- সগম প্রাপ্ত হইয়াছিল | বৈনাশিক বৌদ্ধ বাদ ইহার বিপরীত মার্গ অবলম্বনে, প্জগৎ শৃন্তং* এই সিদ্ধান্তকে লাভ করিয়াছিল। এবং শঙ্কর-দর্শন এক মধ্য-ধার! অবলম্বনে “জগৎ মিথ্যা” এই সিদ্ধান্তে উপনীত হইয়া- ছিল,__শঙ্করাচার্ধ্য সেই *মিথ্যাকে”, সত্য এবং শূন্য হইতে ব্যতিবি ক্ত, “অনির্বচনীয় মায়!” নাম অভিহিত করিয়াছিলেন

প্রাচ্য দর্শন-বিদ্ভার এই ত্রি-ধারার্ কোনই ধারা" বাহিক সমালোচন! আমাদের উদ্দেন্ত নহে। আলোচ্য মোক্ষ-বাদের উপসংহারে এইটুকু মাত্র আমাদের জানা প্রয়োজন যে, ধাহারা এই জগৎ্রূপকে সত্য বলিয়া

* সর্ববেদান্তসার।

[ ০এশ বর্ষ--১ম খণ্ড --১ম সংখ্য।

মানিয়াছিলেন, তাহারাই কি অন্ত আবার এক জগদতীত মোক্ষকেই জীবের পরম শ্রেয় বলিয়৷ নির্ধারণ করিয়া" ছিলেন? সেই উদ্দেসশ্তে, অগ্রে আমাদিগকে এই প্রবন্ধে দেখিতে হইবে, জগৎ-সত্য-বাদী কোন্‌ যুক্তিবলে জগৎকে মায়া শুন্তের মধ্যে বিলীন হইতে নিবারণ করিয়াছিলেন। সেই যুক্তির প্রথম পূর্ববপক্ষ হইতেছে-_ ১। বিজান-বাদ।

ধাহারা নাকি বলিতেন যে বাহা জগৎ শুষ্ঠময়, তাহাদের নাম ছিল বিজ্ঞান-বাদী। সাহেবের জন্মগ্রহণের অনেক পূর্বে, ভারতবর্ষায় বিজ্ঞান- বদ্দী বলিয়াছিলেন যে বহির্জগৎ বলিয়৷ কিছুই নাই, এবং যাহাকে আমর! বহির্জগৎ বলিয়া ভ্রম করি, তাহা আমাদের মনেরই “বিজ্ঞান বা বিশেষ জ্ঞান মাত্র। প্রচীন পু'থি-পত্র দৃষ্টে বুঝিতে পারা যায় যে পুরাতন কালের বিজ্ঞান-বাদী (1108119) জগতের সত্য অস্তিত্বের বিরুদ্ধে দুইট প্রধান যুক্তির অবতারণ! করিয়া" ছিলেন। তাহার প্রথমটি হইতেছে এই £-_

আমরা যাহাকে “অর্থ” ব| বাহা বিষয় বলিয়া! থাকি, সেই প্অর্থের” বিজ্ঞান বা বিশেষ জ্ঞান ব্যতিরেকে কোনই উপলব্ধি সম্ভব নহে | অর্থ বিশেষ বিশেষ জ্ঞানের ঘ্বারাই আমরা বিশেষ বিশেষ অর্থ ঘট পটাদিক বিদিত হই। অর্থ সম্বন্ধে আমাঁদের এই যে জ্ঞান তাহা অবশ্যই বিজ্ঞানাত্বক (1191) জ্ঞান। কিন্তু যাহাকে আমরা অর্থ বলিয়! বিদিত হই, তাহা! আমাদের প্রতীতি অনুসারে, বিজ্ঞানাত্বক সত্ব নহে, তাহা অর্থাত্বক (০0 10621) সত্তা বিজ্ঞানবাদী বলেন আমাদের এই অর্থাত্মক প্রতীতি সত্য হইতে পারে না, কারণ প্ষৎ বেগ্ভতে যেন বেদনেন, তৎ ততো! ভিগ্যতে, যথা, জ্ঞানস্ত আত্মা-_"অর্থাৎ্ যাহাকে যে জ্ঞানের ( বেদনের ) দ্বার! বিদিত হওয়া যায়, তাহা ( অর্থাৎ সেই বেছ্য বিষয় ) সেই জ্ঞান হইতে ভিন্ন জাতীয় হইতে পারে না। ইহার উদাহরণ যথা, আমর] জ্ঞানের দ্বারাই জ্ঞানময় আত্মাকে

13011012%

ফান্তুন, ১৩২৯ 1

বিদিত হই। অতএব বিজ্ঞান-বাদের মতে, সের কখনই

জ্ঞান হইতে ভিন্ন জাতীয় বিষয় হইতে পারে না। তত্রাচ জেয অর্থকে আমরা যে জ্ঞান হইতে ভিন্ন জাতীস্ব সত্তা বলিয়া মনে করিয়া থাকি, মে মনে করা হইতেছে আমাদের ত্রান্ত-বিজ্ঞান।

বিজ্ঞানবাদীর দ্বিতীয় যুক্ত এই__

যখনই আমাদের কোন বিজ্ঞান হইয়া থাকে, তখনই সেই সঙ্গে আমাদের পঅর্থের”ও উপলব্ধি হইয়া থাকে। কিন্তু সকল সময়েই যে সেই তথাকথিত বাহ অর্থ বিদ্য- মান আছে, কথা কেহুই বলিতে পারেন না। যেমন শ্বপ্পাদি কালেও আমাদের বাহ অর্থ জ্ঞান হয়, কিন্তু কথা কেহই বলিতে পারেন না যে স্বপ্রদৃষ্ট হাতী ঘোড়াও বথার্থপক্ষে বিগ্ধমান আছে। অতএব বিজ্ঞানবাদ পিদ্ধান্ত করিয়াছেন--

সহোপলগ-নিয়মাৎ অভেদে| নীলতদ্ধিয়োঃ। ভেস্ত ত্রান্তি-বিজ্ঞানং দৃগ্েতেন্দবিবাদ্ধয়ে | (১)*

অর্থাৎ (বাহ বস্ত থাকুক আর নাই থাকুক) বাহ্‌ অর্থের সহ উপলব্ধিই আমাদের প্রত্যেক বিভ্ঞানাত্বক উপলব্ধির নিম তাহাতে বাহা নীলরূপ যে অর্থ, তাহ! নীলবুদ্ধি হইতে ভিন্ন, ইহ্‌' বলা যায় না। কারণ, তথ! কথিত নীল অর্থ হইতেছে নীল বিজ্ঞানেরই অঙ্গীভূত অংশ। তথাপি বহিঃস্থ নীল অর্থকে আমর! যে নীল বিজ্ঞান হইতে ভিন্ন বলিয়। উপলব্ধি করি, সে উপলদ্ধি হইতেছে এক চন্ত্রকে ছুই চন্ত্র রূপেকউপলন্ধি করার স্তায় ্রাস্ত উপলন্ধি।

এই ছইটি যুক্তির মর্শান্ুারে বিজ্ঞানবাদ বলিতে বলিতে চাহিয়াছেন, বাহ্‌ অর্থ বলিয্না কিছুই নাই এবং বাহ জগৎ হইতেছে শূন্তময়। যাহাকে আমরা বহির্জগৎ বলিয় অন্কুভব করি, তাহা আমাদের “বিজ্ঞানেরই পরিকল্পনা” মাত্র।

(১) ্যাগনুত্রের (81১৪) ব্যানভাঘ্য ব্যাখ্যায় বাচম্পতি মিশ্রধৃত বিজ্ঞানধাদের পূর্ববগক্ষ | শব্বর লায়ন উভয়েই এই মুক্তির উল্লেখ করিয়াছেন।

' বিজ্ঞানবাদের উতর টি

বিজ্ঞানবাদের এই যুক্তি-তন্্কে সাংখ্য বেদান্ত

ছুই বিপরীত দিক্‌ হইতে তির্ধ্যক্‌ ভাবে পক্রমণ করিয়া-

ছেন। কারণ জগৎ শৃন্তবাদ হইতেছে--মায়াবাদ জগৎ সত্যবাদ উভয় বাদেরই বিরোধী বেদান্ত দর্শন বলিাছেন--“ন বৈধন্ম্যাচ্চ স্বপ্রাদিবংত (২২১৯ )1 অর্থাৎ বিজ্ঞানবাদী ্বপ্রাদিকালের দৃষ্টান্ত, দেখাইয়া বলিয়াছিলেন, বাহ্‌ অর্থ আছে বলিয়াই বাহা অর্থের উপলব্ধি হয় ন! - অথুসহ উপলব্ধিই প্রত্যেক বিজ্ঞানাত্বক উপলব্ধির নিয়ম বলিয়া বাহ অর্থের উপলব্ধি 'হইয়া থাকে। উত্তরে বেদান্তদর্শন বলিতেছেন, বিজ্ঞানবাদীর এই স্বপ্রাদি কালের দৃষ্টাস্ত ব্যর্থ দৃষ্টান্ত ! কারণ, স্বপ্রজ্ঞান জাগরিত জ্ঞানের ধর্ম এক নহে। স্বপ্ন জ্ঞান হইতেছে জাঠ্ারিত জ্ঞানের দ্বারা বাধিত জ্ঞান। কিন্তু জাগরিত জ্ঞানের কোন বাধক জ্ঞান নাই। দ্বিতীয়5ঃ জাগ্রত অবস্থায় আমাদের যে অর্থ জ্ঞান হয়, তাহার স্ৃতিই স্বপ্ন জ্ঞানের কারণ। সেই জন্ঠ বাহ অর্থ ব্যতিরেকেও স্বপ্- কালে বাহ্‌ অর্থের আন হইয়া থাকে এবং তাহা হইতে ইহা! প্রমাণিত হয় না যে অর্থ সহ উপলব্ধিই সকল উপ- লব্ধির নিয়ম।

এতৎ প্রসঙ্গে, বিজ্তানবাদের * উদ্দেশে, যোগভায্যে (81২৪ )বাস বলিয়াছেন “বাহ্বিষয়ক জ্ঞান আমাদের কোনই বাসনা বশে উৎপন্ন হয় না। ইচ্ছা কপ্সিলেই কেহ ঘট দেখিতে পায় না। কিন্তু ইন্জিত্স সন্িকর্ষে ্রত্যুপস্থিত বিষয় সকল নিজের মাহাত্ম্যবলে, এবং বিষ্ঞা- নের মাহাত্ম্য বলে নহে, বাহ্‌ জ্ঞান উৎপন্ন করিয়া! থাকে অতএব বাহ্‌ সত্তা নাই, ইছা প্রমাণিত হয় না।”

ইহার পৰে, বিজ্ঞানবাদের অবশিষ্ট তর্ক এই থাঁকে, জ্ঞের সত্ব! জ্ঞান হইতে ভিন্ন জাতীয় হইতে পারে ফি না? অর্থাৎ 76:1.61০) সাহেবের ভাষায় বিজ্ঞানধাদীর অবশিষ্ট তর্ক এই চড়ার -]ব 0০ 020 02৮ ভা010 25 1796051101৩ ১৫ 11106 0180 71010 05501091016 ?%

টি 86

মানসী মন্মবাণী

(যাহা অচেতন তাহ! কিরূপে অচেতনাকারেও প্রতি- তাসমান হইতে পারে ?)

এই প্রশ্নের উত্তরে সাংখ্য বলিয়াছেন _“ন বিজ্ঞান মান্রং বাহাপ্রতীতেঃ* (১৪২) % অর্থাৎ পদার্থ সক যদি বিজ্ঞানমাত্র হয় তবে তাহাদের পক্ষে বাহৃরূপে প্রতীত হওয়া সম্ভব নহে। কেন সম্ভব নহে তাহ! বাচম্পতি মিশ্র যোগ ব্যাখ্যায় (৪81 ১৪) বিশদ ভাবে দেখাইয়াছেন। বাহ্‌ প্রতীঠি বলিতে বিজ্ঞান হইতে বিচ্ছিন্ন গ্রদেশে সত্তার অবস্থিতি বুঝাইয়৷ থাকে এই বহ'প্রতীতি ফদি বিজ্ঞানেরই ধর্ম হয়, তবে সেই ধর্মের বিজ্ঞানাত্বক উপলব্ধি কখনই সঙ্গত হইতে পারে ন। কারণ একই বিজ্ঞান ঝহঃপ্রদেশস্থিত অন্তঃপ্রদেশ- স্থিত বিরুদ্ধ প্রতীতির দ্বারা! কখনই সঙ্গত বিজ্ঞান হইতে পারে না।”--এই বুক্তর ম্দ্ব পাঠক হৃদয়ঙ্গম করিলে দেখিতে পাইবেন, 76161৩% সাহেব যেমন বলিয়াছেন, অচেতন সত্তা কখনই চেশুনাকারে প্রতিভাসমান হইতে পারে না, তেমনি পাল্টা আমরাও জিজ্ঞাসা করিতে পারি, বিজ্ঞানবাদের মতে চেতনসত্তা মন এই যে অচেতন বহিঃসত্বারূপেও প্রতীতিযোগ্য হইয়াছে, তাহাই ব। মনের কোন্‌ ধর্মানুসারে সম্ভব হইয়াছে?

কিন্তু বিস্তানবাদী প্রাচীন দার্শনিক, ইহা হইতেও গভীরতর গ্রদেশে অবগাহন করিয়া পদার্থ সত্তার মূলো- চ্ছেদ করিতে চাহিয়াছিলেন। তিনি বলিয়াছেন, পদার্থ বাদীর শ্বরুত স্বীকার :অনুসারেই পদার্থ সত্। আমাদের মনের কল্পনা! মাত্র হইতে বাধ্য, কারণ পদার্থবাদীর মতে এই গবাদি ঘটাদি 'অর্থই চরম (81610106) অর্থ নহে। তাহার মতে এই গবাদি ঘটাদি পদার্থের *ঝস্ত্য অবিভাঞ্জয” অবয়ব, পরমাণু (কিম্বা দ্বাণুক ) মকলই হইতেছে পরম অর্থ অর্থাৎ পদার্থবাদীর মতে ঘটরূপ জ্বস্বী পদার্থ হইতেছে অণু অবয়বের সমষ্টি মাত্র। এবং পদার্থবাদী বলেন যে সেই সকল অপু

সপ্পাত তি পি

7.৯. বেদান্ত *লাভাবঃ উপলঙ্কে:।” ইহার ভাবে) শষ বস্কৃজাবে হজ্ঞাশবাদছ আলোচনা কারয়াছেন। তাহা অস্ত

পীষ্টতধ্য

! ১৫শ বর্ধ--১ম খণ্ড--১ম সংখ্য

অবয়বের *গুণ”ও পৃথক। অতএব তাহার মতে, অবয়বী অর্থকে সত্যরূগে প্রভীত হইতে হইলে তাহাকে অণুপুঞ্জ এবং সমবেত অণুগণক্পপেই প্রতীত হওয়া উচিত, এটি ঘট, এটি গরু এইক্সপে প্রীত হওয়া উচিত নহে। এবং এই গরু কিংবা! ঘটের প্রতীতি যদি কোন সত্য অর্থের গ্রতীতি হয়, তবে সে অর্থ আমাদের মনের কল্পনা ছাড়া অন্ত কি হইতে পারে ?

বিজ্ঞানবাদের এই সুদুর অবগাহী যুক্ত, বিশেষ ভাবে স্পর্শ করিয়াছিল যোগপদ্থিগণকে কারণ, যোগমতে যোগাঙ্গ অনুষ্ঠানের সাক্ষাৎ ফল হইতেছে-_যথা- অর্থ বা যথা-বন্ত জ্ঞান। বস্তবিষয়ক এই পরিশুদ্ধ জ্ঞানের যোগশাস্ত্রে নাম হইয়াছিল “নির্বিতর্ক সমাপত্তি।» এখন এই নির্বিতর্ক সমাপত্তি যথাবস্তজ্ঞান যদি পরমাণু জ্ঞান মাত্রে পর্যবসিত হয়, তবে যোগীর পক্ষে ঘট- পটাদিময় জগৎ একেবারেই অসৎ হইয়া পড়ে। কিন্তু শ্বামরা জানি ষে যোগীর জগতেও সব তুচ্ছ জিনিসের স্থান আছে।

অতএব কোন এক প্রাচীনতম যোগাচার্ধ্য বাহ পদার্থের সত্য স্বরূপ অবধার্ণ-কল্পে সুত্র রচনা করিয়া- ছিলেন “এক বুদ্ধ[পক্রমঃ হি অর্থাত, অন্ুগ্রচয় বিশেষাত্মা গবাদিব্ধ ঘটাদির্ব লোক * এই হৃত্রের সংক্ষিপ্ত মন্ম এই। যথাবস্ত জ্ঞান যাহার! লাভ করেন, তীহাব৷ দেখতে পান যে এই গবাদি ঘটাদি লোক, অণু, সকলের সংস্থান বিশেষ বটে, সেই জন্ত তাহারা অপুপুঞ্জ বিশেষাতআবক। [কস্ত সেই সঙ্গে তাহারা ইহাও দেখিতে পান ষে সেই সকল অণুপুঞ্কে ব্যাপিয়া তাহাদের এক সাধারণ ধর্ম আছে যাহা সর্বদাই এক বুদ্ধি অবয়বী বুদ্ধিকেও উৎপন্ন করিতে উপক্রমশীল হই়াছে। সেই সাধারণ ধর্মই হইতেছে বস্তভৃত অবয়বী ঘটাদি পদার্থ, এই জন্ত পদার্থজ্ঞান অবস্তক "জ্ঞান নহে, তাহা আ'ত্মকজ্ঞান।

এহ জন্ত পদীর্ঘজ্ঞান মনের কল্পনামাত্র নহে।

পাতি শপ

+* ১185 ব্]াসস্তাযো ধৃত।

ফান্তুন, ১৩২৯]

এইরূপে জগৎ সত্যবাদ বিজ্ঞানবাধকে নর করি তাহার দ্বিতীর প্র:তপক্ষের সংবাদ লইয়াছেন। তাহা-_

৩।

মায়াবাদ।

শঙ্কর-বাদ বাহা অর্থকে বিজ্ঞানময় এবং বাহ্‌ জগৎকে শৃম্তময় অবশ্তই বলেন নাই। বরং আমরা দেখিতে পাই বিরোধী বিজ্ঞানবাদের অভিযানে শঙ্কর কদাচিৎ যোগ সাংখোর সহিত এক নৌকাতেই রুণযাত্রা ক!,য়া- ছিলেন। যোগ সাংখোখ সঙ্গে তাহার বিরোধ অন্যত্র

সে বিরোধের হ্ত্রপাত হইয়া ছণ বাহ সত্তা ঘট- পটাদির সম্বন্ধে ভেবুদ্ধি লইয়া। কথ! অবশ্তই সকলে বুঝিতে পারেন যে, ঘটপটাদিকে একাস্তপক্ষে সত্য হইতে হইলে তাহাদিগকে অবশ্যই বিভিন্ন পদার্থ হইতে হয়। কিন্ত মায়াবাদ বলিয়াছেন, কোন 'প্রকার তেবুদ্ধিই সত্য হইতে পারে না, কারণ শ্রুতি বলিয়াছেন প্তদনন্তত্বম” কোন পদার্থ ত্রক্ধ হইতে ভিন্ন নহে।

ঘটপটাদি জ্ঞানের মৃলীভূত প্রভেদ-জ্ঞানকে মিথ্যা জ্ঞান বলাতে মায়াবাদ যে শৃন্ভবাদের “সন্দিগ্ধ নৈকট্যেশ সমূপস্থিত হইয়াছিল, ইহা! স্বীকার করিতেই হইবে। এবং বোধ করি সেই জন্তই সেকালে এক গুজব উঠিয়া- ছিল__“্মারাবাদ অসৎ শান্তর, ইহা প্রচ্ছন্ন বৌদ্ধমত।” কিন্ত গুজব, গুজব ছাড়া আৰ কিছুই নহে। শঙ্করের লোকোত্বর প্রতিতা, এই প্রত্যক্ষ জগৎরূপের এক অস্থায়ী সত্য মর্ধযাদাকে, ূন্তবাদের বুভূক্ষিত কবল হইতে রক্ষা করিতে সমর্থ হইয়াছিল।

তিনি বলিফ়্াছিলেন, এই “নামনূপে ব্যাকৃত” জগৎ সম্বন্ধে আমাদের যে ভেদ জ্ঞান, তাহা! এই ব্যবহারিক মান়াজগতে কোনই অগ্রান্কৃত ভেদজ্ঞান নহে। স্বপ্ন জগতের বিষয় সকলের, স্বপ্নকাল ব্যাপিয়া, যেমন এক সাময়িক সত্যতা আছে, তেমনি এই বাবহার জগতের বিভিন্ন ঘটপটাদি সত্তারও মায়াকাল ব্যাপিক্া এক সাময়িক সম্ভতা আছে। কিন্তু জীব যখন এই ব্যবহার জগতের মায়া নিদ্র। অবসান, ব্রক্ধ জাগরণে জাগরিত

হয়, খন তাহার পক্ষে কোনই ঘটপটাদি তেদ থাকে না-তাহার পক্ষে সমন্তই "সর্বং খন্থিদং ব্রহ্ম” হইয়া বায়।

*. অতএব, শঙ্করাঁচার্যের মতে মায়া? হইতেছে এই

জগৎ-ব্যবহারের মুলতন্ব। তাহাই এই পরিদৃশ্তমান জগৎরূপের প্রস্থতি প্রকৃতি। এই মায়ার স্বরূপ সম্বন্ধে শঙ্কর শারীরুক ভাষ্যে (২২২৪) বলিয়াছেন__ "এই নামরপে ব্যা্কত জগৎ হইতেছে, সুর্বজ্র ঈশ্বরের আত্মভৃত অধিষ্তাখক্তির দ্বারা কম্িত। সেই অবিদ্ধা ঈশ্বরের আত্মভূত শক্তি বলিয়া তাহা তত্ব অর্থাৎ সৎ পদার্থ)। কিন্ত ঈখরের শুদ্ধ বুদ্ধ ব্রক্ষ-স্বভাব হইতে অবিষ্তা অন্ত বলিয়া অবিগ্তা অতঞ্চ (বা অসৎ পদার্থও ) বটে। এইরূপে তত্ব অতন্ব বলিয়া, জগৎ প্রপঞ্চের বীজভৃত সর্বজ্ঞ ঈশ্বরের মায়া-শক্তি হইতেছে অনির্ধচনীয় স্বরুপ ।”

সাং ইহার সংক্ষিপ্ত উত্তর দিয়! বলিয়াছেন, "ন তাদৃক্পদার্থা প্রতীতেঃ* (১২৪ )-_মায়া যুগপৎ সৎ অসৎ খিরুদ্ধরূপ পদার্থ হইতে পারে না, কারণ তারৃশ বিরুদ্ধরূপ পদার্ধের কোনই প্রত্বীতি সম্ভব নহে। এবং সেই জন্ত তার সিদ্ধান্ত হইয়াছিল__“্জগৎ-সত্যত্বম্‌ অছুষ্ট কারণ জন্তত্বাৎ, বাধকাভাবাৎ* (৬৫২ )1-- জগতের সত্যত্বই সিদ্ধ হয়, কারধ দ্গগৎ কোনই ছুষ্ট- কারণ হইতে উৎপন্ন হয় নাই, যাহার জন্য পিত্বরোগীর হরিদ্রা-দর্শনের স্ায় জগতের সমস্তই মিথ্যা-দর্শন হইতে বাধ, হইয়াছে। এবং এই প্রপঞ্চ জগৎ-জ্ঞানের কোনই বাধক জ্ঞান নাই।

8। চিত্তের সর্ববার্থতা

এই রূপে যোগ সাংখ্য বিস্তা, জগৎ সত্তাকে ব্রহ্ধ- বিদৃহন বিজ্ঞান-নিমজ্জন হইতে রক্ষা করিয়া, আমাদের প্রতীতির ভিত্তির উপরই তাহার সত্যবূপকে" প্রতিষ্ঠিত করিতে চাহিয়াছিলেন। তাহাতে তাহাকে প্রথমে অবধারণ করিতে হইয়াছিল কোন্‌ কোন্‌ বিষয়কে অর্থ- রূপে বিদিত হওয়া আমাদের সম্ভন হইয়াছে।

মানসী মণ্মবানী

অচেতন বাহ অর্থকে, অর্থাকারে অবশ্যই আমরা বিদিত হইয়া থাকি। এবং বাহ্‌ অর্থ ব্যতিরেকে, ক্রোধ লোভ রাগঘ্ধেষাদি মানসিক অর্থ সকলও আমাদের জরে! এই সকল মনোভাবের আশ্রয় অবলম্বনম্থরূপ যে মন--এবং বুদ্ধি, চিত্ত, অহং গ্রভৃঠি যাহার নামান্তর --তাহাও আমাদের এক বিজ্ঞেয় বিষয়। ইহ! ছাড়াও অন্ত এক অর্থ আছে, যাহা আমাদের মন মনোতাবের সহিত মিশিঃ। চৈতন্ত বা জ্ঞানরূপে উপলব্ধ হইয়] থাকে। সেই চৈভন্ত জ্ঞান-স্বরূপ হইলেও, তাহা আমা- দের প্রেয় বিষম়। যদিও আমরা ব্যবহার চিত্তকেই টৈতন্ত বলিয়া গ্রহণ করিয়া থাকি, তথাপি অন্দষ্টি বিশ্লেষণ দ্বার! চিত্ত হইতে চৈতন্তের পৃথক উপলব্ধি কোঁনই অসাধ) উপলব্ধি নহে।

ক্যামরা দেখিয়াছি চৈতন্ত উপবুঞ্জত চিত্তই সাক্ষাৎ সন্ধে আমাদের জ্ঞেপ। এবং বাহা অর্থ সকল মনের মধ্য দিয়া মনসাকারে আমাদের জ্ঞেয় হইয়াছে। ইহা হইতেছে আমাদের বিধি বিহিত জ্ঞান্বিধি। এবং এই জ্ঞান-বিধি কিক্ধপে সম্ভব হইপ়্াছে, ইহা বুঝাইবার জন্য শাস্ত্র বিবিধ দৃষ্টান্ত 'ও উপমার আশ্রয় লইয়াছেন। তাহার ছু'একটরু এখানে উল্লেথ করা প্রয়োজ" |

একটি উপমা হইতেছে এই। আমরা দেখিতে পাই একত্র অবস্থৃত অযস্কাস্ত মণি (1.9০5৮০2৩) অন্তত্র অবস্থিত লৌহের নৈকট্য সম্বন্ধ প্রাপ্ত হইলে, লৌহকেও চুষ্বক-ধর্মে অভিরঞ্রিত বরে। সেইরূপ “অয়ফাস্তমণি-কল্প বিষয় সকল চিত্তের সহিত অভিসস্বন্ধ প্রাপ্ত হইয়া, অয়লোধন্্মক চিত্বকে বিষয়-রাগে অভিরঞ্জিত করিতেছে বিষয় সকল যখন এইরূপে চিত্তের সহিত অভিসম্বন্ধ প্রাপ্ত হয় না, তখন চিত্তও বিষয় রাগে রঞ্জিত হয় না, এবং ব্ষিম্ন সকল বিদ্যমান থাকিলেও সেই কারণে বিষয় জ্ঞান হয় না।”

আর*একটি উপমা! এই-_স্ষটিক যেমন শুদ্ধ স্বচ্ছ শ্বতাব, এই চিত্ত সত্বও সেইক্মপ শুদ্ধ স্বচ্ছ স্বভাব। সেই জঙ্ স্কটিক মণিকল্প এই চিত্ত-সত্ব, চেতন অচেতন অর্থের দ্বারা উপরঞ্জিত হুইয়। চেতন অচেতন অর্থা-

| ১৫শ ব্ধ-_-.ম খণড--১ম সংখ্যা!

কারে প্রতিভাসম'ন হইতেছে। অর্থাৎ স্কটক যেমন স্বভাবতঃ রক্তবর্ণ নহে, জবারাগে অভিরপ্রিত হইয়া রক্তবর্ণ বলিয়! প্রতীয়মান হয়, তেমনি মন চৈতন্য কিংবা! বাহা বিষয়ও নহে, বাহা বিষয় চৈগ্ন্ত দ্বারা অভি- রঞ্জিত হইয়। মন চেতন অচেন্ন রূপে প্রতিভাসমান হইয়া থাকে।

চিত্তের চৈতন্ত অভিরঞ্িত ভাবকে শাস্ত্র চিৎ ছাঁয়। পাত দ্বারা ব্যাখা করিয়াছিলেন, ইহা! পূর্বেই আমর! দেখিয়াছি ইহার উদাহরণ হইতেছে এইরূপ- স্বরূপতঃ অন্জ্ল লৌহ যেমন অগ্নি দ্বারা উত্তপ্ত হইলে অগ্নিবৎ উজ্জ্বল হয়, তেমনি স্বরূপতঃ অচেতন চিত্ত, চিৎ সানিধ্যে চিদুজ্জল হইয়াছে।

অতএব যোগনদর্শন বলিয়াছেন পদ্র্ু দৃষ্টোপরক্তং চিত্তং সর্বার্থম্” : 8২৩)।- দ্রষ্টা বা চেতন এবং দৃশ্ত বা অচেতন অর্থ সকলের দ্বারা উপরক্ত হইয়া চিত্ত সমস্ত অর্থাকারে প্রতিভাসমান হইতেছে কিন্ত প্রতিভাসমান হইলেও চিত্তই চেতন অচেতেন অর্থ নহে। চিন্তাকারে প্রতীয়মান অর্থ সকল চিত্ত হইতে যে পৃথক্‌ অন্ত ইহাই পূর্বেবাক্ত উপম! সকলের মর কথা।

উপমা! দৃষ্টান্ত যে প্রমাণ নহে, ইহা আমরা যতট! জানি, প্রচীনগণও অবশ্ত ততটাই জানিতেন। সেই জন্য পূর্বোক্ত উপমা দ্বারা এইটুকুমাত্র সিদ্ধ হইয়াছে, যে, চেঙন অচেতন অর্থ সকল, চিত্ত হইতে ভন হইলেও, কিরূপে তাহাদের চিন্তাকার প্রাপ্ত হওয়াও সম্ভব হইতে পারে? কিন্তু বাস্তবিক পক্ষে অর্থ সকল হইতে চিত্ত সত্তা যে ভিন্ন ইহার *প্রমাণ” অন্তর

সেই প্রমাথ হইতেছে এই। আমরা! দেখিতে পাই চেতন চেতন অর্গাকার চিত্ত ওজ্ঞেয় বিষয় যাহা জয় বিষ॥ তাহাই জ্ঞাত বিষয়ী হইতে পারে না। অতএব যাহাকে জ্ঞান বলিয়া জানতেছি তাহা নিজেই নিজের জ্ঞাতা হইতে পারে না। পাঠক বিদ্দিত আছেন, মহাত্ম! 7০73 অবিক্ল এই যুক্তি

অবলম্বনে এক 11:01090000605] আআকে

ফাল্গুন, ১৩২৯]

জগৎ-রূপ

মানিতে বাধা হইয়াছিলেন। এবং এই যুক্তির ফলে, আমাদের দেশের দর্শন, চেতনাকারে প্রতীয়মান চিত্ত-ক স্বরূপতঃ অচেতন বলিয়া নির্ধারণ করিয়াছিল।

ব্যাসদেব এই চিত্ত চৈতন্ত তত্বের উপসংহারে যাহা বলিগ্লাছেন তাহা! আমর! পাঠকের উদ্দেশে সাগ্রহে নিবেদন করিতেছি-_ ৰঁ

“চেতন অচেতন অর্থ সকলের সহিত চিত্ত সমান- রূপত। বা সা-রূপা প্রাপ্ত হইতেছে। অর্থ সকলের সহিত চিত্তের এই সারূপ্যে জ্ান্ত ₹ইয়। কেহ বলিতেছেন চিত্বই ঢেতন। কেহ খলিতেছেন চিত্তই এই গবাদি ঘটাদি লোক, এবং চিত্ত হইতে অন্ত কোনই গবাদি ঘটাদি লোক নাই। ইহারা অন্ুকম্পনীয়। কারণ, তাহারা ত্রাস্ত এবং তাহাদের ভ্রাস্তিবীজ হইতেছে এই যে, বিষয়ী বিষয়াকারে নির্ভাসমান চিত্ত হইতেছে নিজেই বিষয়ী ব্ষিয়। কিন্তু যোগিগণ সমাধিবলে যে পরিশুদ্ধ প্রকৃষ্ট জ্ঞান (প্রজ্ঞা) প্রাপ্ত হয়েন, তাহান্তে দেখিতে পান, যে, তাহাদের পরিশুদ্ধ জ্ঞানে, যাহা অর্থা- কারে উপলব্ধ হইতেছে তাহা প্রতিবিদ্বীভূত বিষয়াকার চিত্তমাত্র ।”

জগংরূপের সত্য মিথ্য। |

এইক্নপে আমরা দেখিতে পাই, বহির্জগৎ অস্ত- জগৎ লইয়া আমাদের যে জগৎ্ব্যবহার, তাহ! কোনই সনাতন প্রতারণাবিধির উপর প্রন্থিিত হয় নাই এবং আমুলতঃ তাহা মিথ্যা ব্যবহারও নহে। এই জগৎ- প্রতিশর যাহা কাঠামে! অস্থিপঞ্জর তাহা অনিবাধ্য সত্য। এবং এই জগৎ-রূপের যাহা! সত্য তাহা যে এক অজ্জেয়, অক্ঞাত অনবধার্ধ্য তত্ব ইহাও আমাদের উপ- যাচিত সন্দেহ নহে।

কিন্তু তা» বলিয়া জগতে মিথ্যা প্রতীতিরও অসপ্ভাব হয় নাই। বহির্জগৎ অন্তজ্জগৎ সঙ্বন্ধে সত্য অবধারণ! সিদ্ধ বলিয়া! অসত্য অবধারণাও অসিদ্ধ নছে। বাহ্‌ তনজ্ঞানী যেমন জানেন যে সুর্যের প্রাদেশ পরিমাণ এক মিথ্যা পরিমাণ, অন্ততপ্তত্থজ্ঞানীও তেমনি

দেখিতে পান যে আমাদের অস্মরের বাগথোনুবিদ্ধ বাসনা কামনা অযথাভাবে হেয় উপাদেয় অধধারণ করিয়া থাকে। শুধু তাহাই নহে। *আমাদের ব্যবহারিক বন্তজ্ঞানও বিশুদ্ধ অর্থাকার জ্ঞাননহে। তাহা শব্ধ জ্ঞান অর্থ জ্ঞানের সহিত (মিশিয়া গিয়া এক ব্যামিশ্র বিষয় জ্ঞান হইয়াছে। তাহা শ্রুত অন্থুমিত জ্ঞানের সহিত মিশির! :গি্কজা এক “সংকীর্ণ বিকল্প" জ্ঞান হইয়াছে এঁবং প্েই ”শব অর্থ জ্ঞান-বিকল্প সংকীর্ণ" জ্ঞান নিশ্চয়ই যথা-বস্ত যথা-অর্থজ্ঞান নহে ।* এই জন্য যোগিগণ যখন যখাবন্ধ জ্ঞ।নের সাধনা অবলম্বন করেন, তখন তাহাদের স্মৃতির বৃত্তি ক্ষীণ হইয়া, বিভক্ত অর্থ নকল আর অবিভক্তভাবে প্রতীয়মান হয় না। এবং তখন তাহার! সত্য অর্থকে মনের কল্পনা স্থৃতির রচনা হইতে বিতক্ত করিয়া, বর্থার্থ বিভক্ত সত্য অর্থরূপেই দেখিতে পান। এই পরিশুদ্ধ অর্থজ্ঞানই যোগশান্ত্রে নির্কতর্ক নির্বিচার সমাপত্তি নামে অভিহিত হইয়াছে

জগতরূপের অবধারণায় এইরূপে সত্য মিথ্যার সমাবেশ হইয়াছে বলিয়৷ দর্শন বিদ্তা কখনই হতাশ্থাস হয়েন নাই। কারণ বুদ্ধির জর্টল তন্ত্রে প্রতারণা অযথা সংযোজনা সম্ভব হইয়াছে বলি, তত্বজ্ঞান সভ্য বিচরণাও অসম্ভব হয় নাই। এই ভ্রান্ত তন্ত্রের মধ্যেই ভ্রান্ত সত্যের অমোঘ প.রমাণদওও গোপনে সুবিথ্তি সুরক্ষিত হইছে এবং তাহা যদ্দি না হইত, তবে বহিরস্তর বিষয়ক সর্ধবিধ জ্ঞান-বিধি তন্ববিচার অন্ধের মূগয়াবৎ এক অসাধ্য অসম্ভব ব্যাপার হইয়া! পড়িত। আমাদের বিধাতা পুরুষ, যখন আমাদিগকে এক ত্্রাস্ত বুদ্ধির বশবর্তী করিয়া! জগতে পাঠাইয়াছিলেন, তখন তিনি সেই ভ্রাস্তর নিগৃঢ় অভ্যন্তরে একমাত্র অত্রাস্ত আলোকের অনির্বাণ শিখাও জালাইয়া দিয়াছিলেন। সে আলোক ন। থাকিলে এই জীবলোক, অন্ধকারের অপার পারাবারে গতিহারা হইয়া নিবিয়া যাইত এবং সেই জন্যই, আমাদের পক্ষে এই অন্াদকাল প্রবর্তিত সৃষ্টি জগৎ হইতেছে, অন্ধকার আলো-

মানসী ম্মববাণী

কের,” সত্য মিথ্যার এক অনাদি সংগ্রাম। . এখানে, জীব চরম সত্যের অভিসন্ধানেই যুধ্যমান জীব হইয়াছে। তাহাতে পদে পর্দে তাহার পদস্থলন পরাজয়ও সম্ভব হইয়াছে বটে কিন্তু তথাপি দে তাহার সমস্ত ক্রি বিচ্যুতি জয় পরাজয়ের মধো এক ন্তর্ভেণী প্রবণতায় মিথ্যার হুন্তর্যা কাগারকে পিছনে রাখিতেই চাহিতেছে তাহার সত্যান্থসন্ধানের সুদীর্ঘ পথ, বহুজীবন বনু জন্মের মধ্য দিয়! আকিয়া বাঁকিয়া, একই নির্দিষ্ট দিকে চলিয়াছে। তাহাতে একদিন মনস্তকালের কোন্‌ এক অনাগত শুতক্ষণে, তাহার অনার্দি পথযাত্রা অস্তলাভ করিয়া পরিসমাণ্ড হইবে। কিন্তু তাহার পূর্বের

-রাঙ্গলা নাট্য-সাহিত্য সমলোচনা

বাঙ্গলা নাট্যর্সাহিত্য যে বাঞ্গলা সাহিত্যে আজিও যথেই সমাদর লাভ করে নাই, তাহার কারণ আমর! কি রাষ্ট্রতত্ত্ে,কি সমাজে, কি সাহিত্যে সর্বত্রই রক্ষণ- পশ্থী। আমরা বাঙ্গালীরা পাশ্চাত্য সভ্যচার বিলাতী মদ পুরাতন বোতলে ঢালাই করিয়াছি, কিন্তু মাতলামী করিয়াছি বাহিরে, অন্তরের অন্রমহলে সনাতন চাল চপনের কিছুমাত্র বাতিক্রম হইতে দিই নাই। রাজনীতি ক্ষেত্রে জাতীপ় একতার মহিমা কীর্তন করিয়াছি; কিন্ত সমাজে তাহা অস্বীকার করিয়াছি ; সমাজে বিধবা! বিবাহ প্রচলন স্ত্রশিক্ষ1 ইত্যাদির পক্ষে বন্তু তা দিগ্নাছি, কিন্তু ব্যক্তিগত ভাবে গৃহে তাহার প্রবেশাধিকার দিই নাই; মুসলমান-আমলে চাপকান পরিয়া ইংরাঁজ আমলে হাট কোট পরিয়! চাকরি করিয়া আসিয়াছি, গৃহে ফিরিয়। পুর্ববৎ স্নান করিয়া শুচি হইয়াছি। নৃতনত্বের বার্তী চিরকাল আমাদের কাঁণের ভিতর দিয়া প্র“ব্শ করিয়াছে কিন্ত মরুমে পশিতে পারে নাই।

বাঙ্গলাসাহিত্যের ইতিহাস আলোচনা করিতে

| ১৫শ বর্ষ--"১ম খ€্চ--১ম সংখ্যা

তাহার সমস্ত উত্থান পতনের মধ্যে, একই অনাহত প্রার্থনা তাহার কাতর কঠে ধ্বনিত হইতে থাকিবে--“অসতো! মং সাগময়*_ অসৎ হইতে আমাকে সত্যে লইয়া যাও। কারণ সেই *“সৎ*ই হইতেছে তাহার চরম গন্তব্য পরমা গতি। সেইখানেই তাহার জীবন পন্থার পি- সমাপ্তি, সেইথানেই তাহার সংসার সংগ্রামের চরম রণজয়। এবং যেদিন সে সেই চরম জয়ে জয়ী হইবে, সে দিন তাহার বুদ্ধির অখিল ভ্রান্ত প্রমাদও ঘুচিয়া যাইবে। সেদিন হইতে সে বহিজ্জগৎ অন্তজ্জগতের অনাবিল অবিত্থ সত্যরূপকেই দেখিতে পাইবে।

শ্রীনগেন্দ্রনাথ হালদার

আমাদের এই বাঙ্গালীত্বের পরিচয় পাই। বাঙ্গলা সাহিত্যের অভ্যুদরয়কে অমরা সনাতন নব্যপন্থী উভয়েই, 'প্রথমতঃ আমল দিই নাই। সংস্কৃত পণ্ডিতগণ তাহাকে ভাষায় শূদ্র অশ্পৃন্ঠ জ্ঞানে সংস্কতের সহিত এক পংক্তিতে বসিতে দেন নাই ইংরাজী শিক্ষতগণ বাঙগল] জান৷ অপেক্ষ। না জানাই অধিকতর প্রশংসার বিষয় বলিয়! জ্ঞান কৰ্রিয়াছিলেন এবং অন্দরের কথাবার্তার অন্তরালে দলীল দক্তাবেজের নিচের তলায় তীহাদের ভাষা জননীকে দাসীবৃত্তি করিবার অধিকার দিগ্সাছিলেন মাত্র। ভদ্র ভাব! পরিবারে একাপনে বসিয়। ভাব বিনিময়ের সামর্থ্য যে তাঁহার থাকিতে পারে সে কথা তাহার সন্তানগণ বিশ্বাস করিতেন না। এমন সময় রামমোহন, ঈশ্বরচন্দ্র, বঙ্কিমচন্দ্র মধুসদন প্রমুখ মনীষিগণ বাঙ্গল/ভাষায় যখন ভাবের বস্তা লইগা নানিয়া আমিলেন এবং বাঙ্গলা ভাষাকে অন্তান্ত ভাষার সহি এগাসনে বিবার যোগ্য বলিয়া ঘোষণা করিয়া দিলেন, বাঙ্গালীর বাঙ্গালীত্ব তাহাদের সেই বাণী সর্বাস্তঃকরণে গ্রহণ করিবার পথে

ফাল্গুন, ১৩২৯]

যেসকল বাধাবিপত্তির স্থষ্টি করিয়াছিল, রবীন্দ্রনাথের বিশ্ববিরয্নিনী প্রতিভার দিনে, সেদিনকার মধুসথদনের সেই কাতরোক্তি প্যারে রে যা অবোধ তুই যারে ফিরে ঘরে, বঙ্গভাষা খনি তোর পূর্ণ মণি জালে” আমর! ভুলিয়া গিয়াছি। আজ স্তর আশুতোষ বাঙ্গলা ভাষাকে যে অনুগ্রহ করিয়! বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশাধিকার দিয়াছেন তাহা বলিতে পারি না, কিন্ত একদিন ছিল যখন মিস- নারীরা অনুগ্রহ করিয়া বাঙ্গলা বলিতেন লিখিতেন এবং বাঙ্গালী তাহা! দেখিয়া! হাসিত ঠাট্টা করিত! বাঙ্গলা সাহিত্যে যে আজ রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রাণিতত্ব ঘটিত রচনার অভাব দেখা যাইতেছে, তাহার কারণও বাঙ্গালীর এই বাঙ্গালীত্ব-_অর্থাৎ তাহার মনোবৃত্বিকে নতুন পথে চালাইবার পক্ষে অপ্রবৃত্তি। উপন্তাম কবিত! ব্যতীত যে যে বিভাগে সে প্রতিভা লাভ করি- যাছে তাহা ব্যতাঁত বাংল! সাহিত্যে নৃতনত্বের অবতরণ আমরা সাগ্রহে গ্রহণ করিতে অনিচ্ছুক পাশ্চাত্য-* সাহিত্যে নাট্য সাহিতোর স্থান কত উচ্চে তাহা.জানিয়াও আমর! গিরিশচন্ত্রকে সমাদরে গ্রহণ করি নাই, দ্বিজেন্্র- লালকে ভুলিতে পারিয়াছি। নাটক নাট্যকলা যে সাহিত্যের একটি অমূল্য সম্পদ তাহা! আমরা স্বীকার করিতে চাহি না, এমন কি অনেকে মনে করেন তাহাতে সাহিত্যের শুচিতা নষ্ট হয়। তাই বাঙ্গলা সাহিত্যে সম্বন্ধে রীতিমত সমালোচনারও অবকাশ নাই। কিন্তু নাট্য সাহিতা নাট্যকলা সম্বন্ধে আমাদের এবন্িধ উদ্দাসিন্ত উপেক্ষা সন্বেও দেখিতে পাওয়া যাইতেছে, শিক্ষিত সম্প্রদায়ের মধ্যে কেহ কেহ রঙ্গমঞ্চে অভিনয় করিতেও ইতস্ততঃ করিতেছেন না, এবং রঙ্গমঞ্চের কতৃপক্ষগণ ফরমায়েসী নাটক লিখাইয়া যথেষ্ট অর্থ উপার্জন কর্িতেছেন। ফলে নাটক লেখা অভিনয় করা অনেক অপেক্ষাকৃত ভদ্র উপার্জন প্রণালী অপেক্ষা লাভবান হইয়া উঠিল। অতএব সাহিত্যে শুচিতা নষ্ট হইবার আশঙ্কায় সাহিত্যের অভিভাবকগণ এখনও যদি রীতিমত সমালোচনার দ্বারা এই শ্রেণীর সাহিত্য কলা বিধ্থার গতি স্ুনিয়স্ত্রিত এবং সম্বন্ধে লেখকগণের কুচি

বাঙ্গল! নাট্য সাহিত্য সমালোচনা

৪০

সুমার্জিত করিবার চেষ্টা মাত্র না করিয়া নিশ্চে্ট থাক্লেন, তবে বাঙ্গল! সাহিত্যের ভাণ্ডার নাট্য সাহিতারূপ এক শ্বর্ধ্য হইতে তে| চিরকাল বঞ্চিত থাঁকিবেই, অধিকন্ধ সা্ছিত্যে স্বে্চাচারিতা! গ্রশ্রয় পাইবে এবং প্রক্কুত আদর্শের দিকে লক্ষ্য না থাকায় যে ক্রমে আগাছা! কুগাছার স্য্টি হইবে তাহাতে সাহিত্যের শ্রী শুচিতা রক্ষা করা আর সস্তব হইবে না। আমাদের বিবেচনায় নাট্য সাহিত্য নাট্য কলা! সম্বন্ধে এইবার রীতিমত সমাহলাচন- সাহিত্যের প্রয়োজন হইয়াছে

এক পক্ষে সমালোর্চনা ব্যতীত যেমন রচনার প্রকৃত বুস গ্রহণ করা অসম্ভব, অপর পক্ষে সমালোচনা রচনার জনক নিয়ামক রচনার প্রকৃত সৌন্দর্য্য নির্দেশ করিয়া একপক্ষে সমালোচক যেমন প্রতিভাবান লেখ- ককে সাধারণ পাঠকের সহিত পরিচিত করিয়া দেন, অপরপক্ষে তেমনই প্রতিভাহীন অকিঞ্ধিংকর রচনার কদর্য্যতা সর্ব্মক্ষে প্রকাশ করিয়! দিয়া সাহিত্যের আসর হইতে তাহা বহিষ্কৃত করিয়া দেন। সমালোচক এক সঙ্গে লেখকের স্তাবক নিয়ামক উভয়ই আবার বখনই সা্চিত্যে গ্লানির উদয় হয়, তখনই সমালোচনার আবির্ভাব রচন ষুগের পরই সমালোচন যুগের আগ- মন, যাহা রচিত হইয়াছে তাহার যণ্চাযোগ্য মূল্য নির- পণ করতঃ নির্দিষ্ট শ্রেণীতে বিভক্ত করিবার ভগ্ত এবং পরবর্তী লেখকের সম্মুখে আদর্শের চিত্র জাজ্জল্যমান করিবার জন্য সুতরাং সমালোঁচন যুগের পরই আবার রচন যুগের আগমন শ্বাতাবিক। বাঙ্গল৷ নাট্য সাহিত্যে আমাদের হুূর্ভাগ্যক্রমে যদি গিরিশচন্দ্র দ্বিজেজজলালের সহিত রচন যুগ অস্তহিত হইয়া থাকে, তবে যেন তাহ! সমালোচন যুগের সুচনা! করে। প্রকৃত সমালোচনার সাহায্যে যদি আমরা এই অবসরে গিরিশচন্দ্র দ্বিজেন্দ্র- লালের প্রতিভার প্রক্কৃত মূল্য উপলব্ধি করিতে পারি এবং বর্তমান লেখকগণের রচনার মধ্যে তাহাদের ভূল ক্রটা দেখাইয়! দিয়! তাহাদের সম্মুখে নাট্য কলার উন্নত, আদর্শ খাড়া করিয়া! ধরিতে পারি, তবে ভবিষ্যুতে বাঙ্গলা নাট্য সাহিত্য যে উৎকর্ষতার অভিমুখে ধাবিত হইবে সে

বিষয়ে সন্দেহ নাই। আশা করা "যায় এই সমালোচন সুগের রীতিমত সাময়িক স্ধ্যবহারের দ্বার আমরা উৎকৃষ্ট রচন যুগকে আহ্বান করিয়া আনিতে পারিব।

অপরাপর সাহিত্য সমালোচন! হইতে নাট্য সাহিত্য সমালোচনার একটু বিশেষত্ব .আছে। নাট্যকলা! সম্বন্ধে সমালোচনা করিতে হইলেই অভিনয় রূজমঞ্চের আলো- চনা! অপরিহার্য এমনকি 09০৮: /111৩এর মতে অভিনেত'ও নাটকের একজন প্রধান সমালোচক-- ৮006 2060 15 2 0৫00 01 00 0120272.,,,,,, 15 ০0. 10015100911 45 &ে 26100 ০৫ ৮59 1066100160500205

নাট্য সাহিত্য সেই শ্রেণীর সাহিত্য যাহা 'গভিনয়-কলার সাহচর্য্য ব্াতীত আপনাকে সম্যক্‌- রূপে" পরিস্ফুট করিতে পারে না। অপর পক্ষে

অভিনয় কলাও সেই শ্রেণীর কলাবিগ্ভ যাহার প্রত্তিভা. স্ফুরণ নাটকের উৎকর্ষতার অপেক্ষা রাখে নাট্যকারের প্রতিভা অডিনেতার প্রতিভার সহিত সম্মিলিত ন1 হইলে কেহই স্কুর্ভি পায় না। অভিন্তো। যেমন একদিকে নাটকের সমাঙ্গোচক, অপরদিকে নাট্যকারও তেমনই অভিনে্তোর অভিনয় প্রতিভার নির্দেশক নিয়ামক সমশ্রেণীর প্রতিভার এইরূপ সংযোগস্থলে নাটকও সুপাঠ্য হয়, অভিনয়ও দর্শনযোগ্য হইয়। থাকে অন্তথায় একের উৎকর্ষতা অনেক সময়ে অপরেক্স অপকর্দতারই কারণ হইয়া থাকে। গিরিশচন্দ্রের অভিনয়-প্রতিভা তাহার সাহিত্য-প্রতিভাকে ছাড়াইয়৷ উঠিয্বাছিল বলিয়া রঙ্গমঞ্চ ব্যতীত ত্বাহার রচিত নাটকের প্রকৃত সৌন্দধ্য সম্পূর্ণ হাদয়ঙ্গম করা যায় না। আবার

১৭ মানসী মন্মবাণী

| ১৫শ বধ--১ম খগু--১ম সংখ্যা

নাট্য-সাহিত্যে দ্বিজেন্ত্রলালের প্রতিভ| সমসাময়িক অভিনেতার অভিনয় প্রতিভার সহিত পূর্বোক্- প্রকারে যোগযুক্ত হইয়াছিল বলিয়াই সীহার রচিত নাটক রঙ্গমঞ্চের বাহিরেও খ্যাতিলাভ করিয়াছে, এবং ষে প্রতিভাবান অভিনেতা অভিনয় চাতুর্ষে সেই সকল নাটকের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করিয়াছিলেন, ত্তাহার অভিনয় চাতুর্ধ্যও উৎকর্ষতার চরমত্বে পৌছিয়াছিল। আজ সমযোগ্য নাট্য প্রতিভার অভাবে অভিনেতার প্রতিভা মৌলিকত। সতেও দ্বিজেন্্লাল-অস্কিত চরিত্র অভিনয়ের চর্কিত চর্বণ হইতেছে মাত্র। ইহা! অভিনয় প্রতিভার অপকর্ষতা ভিন্ন আরকি বলিব? ভাস্কর পণ্ডিতে* (বঙ্গে বর্গী.) আমরা কি দ্বিজেন্দ্রলালের প্চাণক্যেশ্র আভাস পাই না? এত কথা বলিবাবু কারণ এই যে, নাট্য সাহিত্য সমালোচনা করিতে যাইলেই মঞ্চ অভিনয় সম্বন্ধেও আলোচনা প্রাসঙ্গিক এবং অপরিরহার্য্য। , ইতঃপূর্কে মাসিক পত্রে দ্বিজেন্্রলালের দুই একথানি পুস্তক লইয়া যে সমালোচন! বাহির হইয়াছে, তাহাতে প্রণালী অবলম্থিত হর নাই। কোনও একটি নাট- কের চরিত্র আলোচনা দ্বারা নাটকের সৌন্দর্য্য ব্যাখ্যা করা বিজ্ঞানসম্মত নহে। আমরা পরবর্তী প্রবন্ধে রঙ্গমঞ্চ অপরাপর পারিপার্থিক অবস্থার সহিত সম্বন্ধ রাখিয়া, গিরিশচন্দ্র দ্বিজেন্দ্রলাল নাট্য সাহিত্যে যে নৈপুণ্যের অবভারণ। করিয়াছেন তাহার. আলোচনা করিব এবং পরে বর্তমান নাট্য সাহিত্যের আলোচন! করতঃ সাধ্যমত আধুনিক নাটক লেখকের সম্মুখে আদর্শ নাট্য সাহিত্যের আদর্শ স্থাপন করিবার চেষ্টা করিব।

শ্রীতুলকৃষ্ণ চৌধুরী

অশ্রুনদী

হে প্রিয়! স্নানের তরে

যাও তুমি নদীতীরে ;

তবে কেন, আপগনাক হায়,

এই দুটা আখি তটে,

লাজ দেয় গঙ্গ যমুনায়? শ্রীবিজয়লাল চট্টোপাধ্যার

যেথা মম অশ্রনদী (শজামী* হইতে)

ফান্তুন, ১৩২৯ ]

মুনা র্‌ মং

মুজিনাথ পূর্ববানুবৃত্তি )

৮ই মার্চ ১৯২২--অতি প্রত্যুষে ( ৪টার সময়) শয্যা ত্যাগ করিয়া প্রাতঃকৃত্য সমাপন করিলাম। র্ষচারী, গাইড, ভারিয়া সকুলেই যাত্রার জন্ত প্রস্তত হইল।

আবশ্তক দ্রব্যাদি পূর্ব রাণ্রেই গুছাইয়া ভারিয়ার *ডোকোন্তে রাখা হইয়াছিল অবশিষ্ট বিছানাটা বান্ধিয়া এখন তাহার মধ্ো রাখা গেল। ডোকো! জিন্যিটা বংশ ওবেত্র নির্িত ঝুলি বিশেষ। ইহার মধ্যে দ্রব্যাদি রাখিয়া চামড়ার দোয়াল কি শণের বেণী দড়ি, দ্বারা ইহাকে কপালে সংযুক্ত করে এবং পৃষ্ঠে বহন করে।

চাও জলখাবার প্রস্তুত হইয়াছিল। ভোজন ও”

পানান্তে যাত্রার উদ্ভোগ করিলাম।

সুধীর বাবু তাহার নাম ঠিকানা! লেখা কয়েকথান! খামে নেপালী ডাক টিকেট আঁটিয়৷ এবং কিছু চিঠির কাগজ পুর্কেই আমার ব্যাগে রাখিয়া দিয়াছিলেন। যাত্রাকালে বলিয়া দিলেন যে হাতের কাছে পোষ্টাফিস পাইলেই যেন ত্াগাকে চিঠি লিখি। নেপালী ভাষাতে গাইড. ভারিয়াকে কিছু উপদেশ দিলেন। উপদেশের শব্ধার্থ বুঝিতে না পারিলেও ভাঁবার্থ খুঝিতে পারিলাম, ধে, পথে যাহাতে আমার কোন কষ্ট না হয় তৎশ্রতি হারা যেন যথেষ্ট দৃষ্টি রাখে।

অধ্যাপক বন্ধত্রয়, পাচক হরিহর এবং ভূত্য রামশরণ প্বাচ্চার* নিকট বিদায় গ্রহণ করিয়া, ব্রহ্মচারী, গাইড বীরবল গুরুক্গ, ভারিয়া জিৎবাহান্থবর লাম! আমি ভগবানের নাম ম্মরণ করিয়া ৫--৩০ মিনিটের সময় মুক্তিনাথ উদ্দেশে যাত্রা করিলাম

কাঠমণু স্হুরে ধোল দিন ছিলাম, কোনদিন এত সকালে শযা৷ ত্যাগ করি নাই--রাস্তায় বাহির হওয়া দূরের কথা। নেপালী শীতের প্রকোপ অস্ত বেশ

4

অনুভব করিলাম। গত রাত্রে তুষারপাত হইয়াছিল, রাজপথে যেন লবণ ছড়াইয়া রাঁখ! হইয়াছে যেখানে অল্প তুষারপাত হয় সেখানে ঘাসের উপর উহা দেখায় বেশ। আমি ব্যতীত ঝুপর তিনজনই নগ্রপদ। ভারিস গাইডের তুষারের উপর দিয়া নগ্পপদে চলিবার অভ্যান আছে, কিন্ত ব্রহ্মচারীজীর খুব কষ্ট হইতে লাগিল।

হুর্য্যোদয়ের অল্প পরেই আমরা বালাজী নামক স্থানে আসিয়া পৌছিলাম। আমাদের সঙ্গে একজন পুশ প্রহর পাঠাইবার যে আদেশ আছে সেই আনেশপত্র বালাজীর পুলিশ কর্মচারীকে দেখান হইল। আমাদের সঙ্গে যাইবার উপযুক্ত কেহ তখন থানাতে উপস্থিত না থাকাতে, ভারপ্রাপ্ত কন্মচারীকে লোক পাঠাইবার উপদেশ দিয়া আমরা বালাজী ত্চাগ করিলাম

কাঠমণ্ড হইতে বালাজী পর্য্যন্ত প্রশস্ত রাজপথ বালাজীর পর হইতেই আবার পাহাড়ীয়া পথ। উচ্চ পর্বতের উপর দিয়! যে শোভন প্রশস্ত রাজপথ নির্শিত হইতে পারে গোৌহাটা খারিয়াঘাট রাস্তা তারার প্রমাণ। নেপাল রাদ্যে কাঠমণ্ সহর ব্যতীত অন্ত কোথাও ভাল রাস্তা নাই। নেপালীর! নাকি ভাল শান্তার বিরুদ্ধ- বাদী। কথিত মাছে ষে ১৮৫১ খৃঃ ব্রিটিশ রেসিডেন্ট মিঃ এস্ক্রাইন তাৎকালিক প্রধান মন্ত্রী বিখ্যাত জঙ্গ বাহা- ছুরকে সমতল ভারত হইতে কাঠমও পর্য্স্ত